Main Menu

ঝুকিতে শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসল্লিগণ

দীর্ঘ দুই বছরেও সংস্কার হয়নি ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন

পাপরাইল মোহাম্মদীয়া এতিমখানার মসজিদের উপর ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুটি। ছবি-দৈনিক হুংকার।

ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পাপরাইল গ্রামের অভ্যন্তরে পাপরাইল মোহাম্মদীয়া এতিমখানা, পাপরাইল বায়তুল আকছা জামে মসজিদ, পাপরাইল মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার উপর দিয়ে প্রবাহিত ঝুকিপূর্ণ ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন দুই বছরেও সংস্কার করা হয়নি। গত দুই বছর পূর্বে ২০০৭ সালে ঝুকিপূর্ণ এই লাইনটি সংস্কার অথবা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাদ্রাসা, মসজিদ ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষ শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্তৃপক্ষের বরাবরে লিখিত আবেদন করে। তখন সমিতির ২/১ জন লোক এসে দেখার পরেই তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। এর পরে আর কোন খোঁজ খবর রাখেনি বলে জানান এলাকাবাসী। ২০১৭ সালের ফেব্রæয়ারী মাসে মসজিদের ভবনে উঠতে গিয়ে এক মুসল্লি ও মাদ্রাসার তিন ছাত্র আহত হওয়ার পরে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরাবরে লাইনটি সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হয়। যা স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু দুভাগ্য জনক হলেও সত্যি যে কর্তৃপক্ষ অদ্যবধি উক্ত লাইনটি সংস্কার বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি।
মসজিদের মুসল্লি আবুল কালাম সরদার জানান, আমরা অত্যান্ত ঝুকি নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে যাই। যে কোন সময় বিদ্যুতের তার ছিড়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমাদের মসজিদের উপরের লাইনটির কারণে আমরা মসজিদের ছাদে উঠতে পারিনা। এ পর্যন্ত এক মুসল্লি ও তিন ছাত্র ছাদে উঠতে গিয়ে আহত হয়েছে।
মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মোঃ আল আমিন জানান, আমরা দুই বছর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরাবরে লিখিত আবেদন করি। কিন্তু রহেস্য জনক কারণে লাইনটি অদ্যবধি সরিয়ে নেয়নি। আমরা এ ব্যাপারে মাননীয় জেলা প্রশাসক সহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি। যাতে করে আমার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও মসজিদের লোকজন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

Facebook Comments





error: Content is protected !!