Main Menu

জাতীয় আইন সহায়তা দিবস পালিত

দেশকে উন্নত করতেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে -জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু সাঈদ এর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের ও অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস। ছবি-দৈনিক হুংকার।

: স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় আইন সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেছেন আজকের আলোচনা সভায় যারা উপস্থিত হয়েছেন তারা সবাই আজকের আলোচ্য বিষয় জানেন। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ যারা জানেনা কোথায় গেলে আইনের শাসন পাওয়া যায় তাদের কে লিগ্যাল এইড সেবার প্রাপ্তির বিষয়টি জানিয়ে দিবেন। তাহলেই আমাদের চেষ্টা সফল হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যে দেশ দ্রæত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নে এগিয়ে যেতে সকল সুচক এখন উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তার পরেও আমরা উন্নত দেশে পরিনত হতে পারবো না যতক্ষন না পর্যন্ত দেশে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও প্রাপ্তির জন্য তিনি সরকারী বেসরকারি সর্বক্ষেত্রে প্রচারনার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখার আহবান জানান। দেশে বিচারকদের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন দেশপ্রেম ও জনগনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হলে সীমিত এই জনবল নিয়েই দেশে সুবিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে বাদী বিবাদী উভয়ই উপকৃত হবে। “বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় শেখ হাসিনার অবদান, বিনামূল্যে লিগ্যাল এইডে আইনি সেবাদান” প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৮ এপ্রিল র‌্যালি আলোচনা সভা, মেলা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে র‌্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আল আল মামুন শিকদার, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মুঞ্জুরী, সিভিল সার্জন ডাঃ খলিলুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুর ইসলাম, পিপি এ্যাড. মির্জা হজরত আলী, জিপি এ্যাড. আলহাজ্ব আলমগীর হোসেন মুন্সী।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, সাধারণ মানুষ সচেতন হলে আইনের সহায়তা নিতে হয়রানীর শিকার হবেনা। আইনের দৃষ্টিতে সকলই সমান এই ধারনা প্রতিটি মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে লক্ষ্যে জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইনের সেবা কার্যক্রম প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। মানুষ আইনগত সমস্যায় পড়লে প্রথমে চেয়ারম্যান তারপর থানা ও ইউএনও’র কাছে যায়। তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ রেখে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা যদি আইনের সাহায্য প্রার্থীদের জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে পাঠায় তাহলে অতি সহজে বিচার প্রার্থীরা উপকৃত হতে পারে।
এর পূর্বে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা ও দায়রা জজ কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। দিবসটি উপলক্ষে দিন ব্যাপী আইন সহায়তা মেলা, রক্তদান কর্মসূচী, নাটক, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

 

Facebook Comments





error: Content is protected !!