Main Menu

বৈশাখী মেলার বাজার ধরতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে শরীয়তপুরের মৃৎ শিল্পীরা

মৃৎ শীল্পের ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও কদর যে একে বারে ফুরিয়ে যায়নি। তা শরীয়তপুর জেলার কুমার পল্লীর পালপাড়া গুলোর মৃৎ শিল্পীদের কর্মব্যস্ততা প্রমান করে দেয়। মাটির তৈরী বাসন কোশন আর হাড়ি কলসের চাহিদা না থাকলেও বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাল উপলক্ষে গ্রামীন মেলা গুলোতে মাটির পুতুল, হাতি, ঘোড়া সহ নানা খেলনা সামগ্রীর বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখে কুমার পল্লীর নারী-পুরুষ শিশু সহ সকলে ব্যস্ততার মধ্য দিন কাটাচ্ছে।
মানুষের সভ্যতার আদি ও ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্প বিলুপ্ত প্রায়। উৎপাদন খরচের সাথে বিক্রি মূল্য না পাওয়া, প্লাস্টিক, এ্যালমোনিয়াম, স্টিল সহ নানা সামগ্রীর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মাটির সামগ্রী তৈরী বন্ধ করে দিয়েছে মৃৎ শিল্পীরা। তারপরেও পৈত্রিক এ পেশাকে টিকিয়ে রাখার জন্য ১১ মাস বেকার থাকলেও বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে শরীয়তপুরের কুমার পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে। মৃৎ শিল্পীদের পরিবারের নারী-পুরুষ শিশু সবাই মেলার বাজার ধরার জন্য ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। আর দুর দরান্ত থেকে পাইকাররা এসে এ সকল খেলনা সামগ্রী ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে মেলায় বিক্রি করার জন্য। ক্রেতারা বলছে মাটির সামগ্রীর চাহিদা না থাকলেও এবার দাম বেশী চাচ্ছে কুমাররা। অপর দিকে মৃৎ শিল্পীরা বলছে মাটি, জ্বালানী, শ্রমিক সহ সব কিছুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা। তারপরেও বাংলা নতুন বছরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তারা পন্য উৎপাদন করে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আর বিপণনের সুযোগ পেলে সারা বছরই তাদের এই ব্যস্ততা অব্যাহত থাকবে।

 

Facebook Comments





error: Content is protected !!